Posted on

HOW TO DONATE(Procedure)

দয়া করে পড়ুন।

এটি হচ্ছে এমন ব্যবসা, যাতে বিনিয়োগকারীরা লাভ তো দুরের কথা, মূলধন ও ফেরত নেবেন না।পুরো লাভটাই সামাজিক কাজে ব্যয় করা হবে।
আমরা এ প্লার্টফর্মে ডোনেটেড পণ্য বিক্রির ব্যবস্থা রেখেছি।
আপনার কাছে যদি ব্যবহৃত/ অব্যবহৃত কোণ পণ্য, যেমন, ব্যাগ, বেল্ট, জুতো, জুয়েলারি, বই, পোশাক, জুতো বা যেকোন কিছু থাকে আমাদের ডোনেট করলে তা বিক্রির অর্থ সামাজিক কাজে আমরা ব্যয় করতে পারবো।আপনার দান অনেক মানুষের কাজে লাগবে।যদি এরকম কিছু থাকে দয়া করে আমাকে ইনবক্স করতে পারেন।অথবা নিচের ঠিকানায় আমাদের পাঠাতে পারেন।কুরিয়ার খরচ অবশ্যই অনেষ্ট দেবে।আপনার পড়ে থাকা জিনিষ অন্যের কাজে লাগলে আপনারই ভাল লাগবে।সে জিনিষ বিক্রির টাকায় কেউ একজন পড়ছে, চিন্তা করতেই তো ভাল লাগে তাই না???? 

Honest
SA Paribahan Kazir Dewri Branch Chittagong.
Ph : 01821092426

Honest
Sundarban Courier Service Agrabad Chittagong.
Ph : 01821092426

Posted on

What is HONEST

This a new concept of business. We name it “Business for Humanity. Here the investors invest capital as charity, they don’t take any single profit. rather 60% profit is distributed among the purchasers who purchase from this online shop. This profit is paid to them at the very moment they make any purchase. We declare our profit against every goods, so it makes a buyer how much of it he will get. Rest 40% profit is kept for operating expenses and making contribution to “Pay it Forward, Bangladesh (Let us Spread kindness).

The target group of this business is students and lower/ middle income groups. They become partner of this platform automatically just after first purchase and get back 60% of the total profit accrue from his/her purchase. Thus they get a huge profit pay back from their daily needs purchase. This concept is a new business concept, firstly introduced in Bangladesh.

  • More over this platform has started a new segment called ‘Donate it Forward.’ In this segment it offers necessary goods to needy people totally free of cost.

Moreover the group provides medical help to deserving candidates- free of cost. 

Our missions are–

1.Make life of lower income group. specially, students less expensive.

2. Provide them best product of the market with a lesser price that prevailing in the market.

3. Bring solvency to our target group by providing 60% of profit.(Without making any single investment by them).

4. Create and encourage entrepreneurs to sell products through us with a minimum mark up. Usually they are to sell us their item with a less price, they sell in usual market.

5. Helping under privileged people by providing free goods.

5. Provide free health care service.

Posted on

HONEST বিষয়ে

HONEST নিয়ে কাজ করতে গিয়ে আমরা একটা বিরাট সমস্যায় পড়েছি। এটা আমাদের মাথায় ছিল না। আমরা আমাদের পেইজে যখন কিছু প্রডাক্টের ছবি দিলাম,বিশেষ নতুন পণ্য, যেগুলোর অনেকগুলো এখনো তৈরিই হয়নি, তখন কিছু অদ্ভুত ঘটনা ঘটতে লাগলো। আমরা ইনবক্সে প্রাইজ কত এ জাতীয় প্রশ্ন পেতে লাগলাম। উত্তরে আমাদের খরচ কত পড়তে পারে, তার উপর লাভ ধরে বিক্রয় মূল্য কত হতে পারে এমন একটা আনুমানিক দাম ও তাঁদের জানিয়ে দিলাম। । যা বাজার মূল্যের চে’ কম। তখন দেখা গেলে প্রি বুকিং অর্ডার আসছে, এবং প্রতিটা অর্ডার কয়েকটি করে, এমন কী ডজনের অর্ডার?? আমরা প্রাথমিক ভাবে খুশি হলাম। কিন্তু তারপর মনে হলো, একজন এতগুলো অর্ডার দিচ্ছেন কেন? আমাদের যারা লক্ষ্য, ছাত্র-ছাত্রী, নিম্ন মধ্যবিত্ত, মধ্যবিত্ত তাঁরা একসাথে এতগুলো টি শার্ট,প্যান্ট, টাই , শাড়ি, অলংকার, চশমার ফ্রেইম কিনবেন কেন?? তাঁদের তো এত সামর্থ্য থাকার কথা নয়। আমরা ব্যাপারটি পরীক্ষা করে দেখলাম, এরা সবাই ব্যবসায়ী। তাঁদের শো রুম বা দোকান আছে। খুব বড় শো রুম নয়, কিন্তু শো রুম। তারা অর্ডার করছেন, কারণ আমাদের পণ্যের দাম কম, আবার তার ও ৬০% লাভ তাঁরা পেয়ে যাবেন। তারপর তারা তা দোকানে বাজারের প্রচলিত মূল্যে বিক্রি করবেন। এতে তাদের অনেক বেশি লাভ হবে। আবার তাঁর সাথে পাচ্ছেন, আমাদের কাছ থেকে ৬০% লাভ। সোজা কথায় ডাবল লাভ। এভাবে আমাদের টার্গেট গ্রুপ নয়, অনেস্টের কারণে লাভবান হবেন তারা। এরপর আমরা একটা সার্ভে করলাম।মোটামুটি প্রফেশনাল সার্ভে। তাঁর রিপোর্ট আসলো, “ অনেস্ট একটা ‘ডিজাজস্টার’, আবার বলছি ‘ডিজাজস্টার’ হতে যাচ্ছে। এর মাধ্যমে যাদের আপনি সাহায্য করতে চান, তাঁদের ক্রয় ক্ষমতা কম, তাই তাঁরা খুব একটা কিনবেন না, কিনবেন ব্যবসায়ী বা স্বচ্ছলরা। তাই ৬০% লাভ আপনার টার্গেট গ্রুপ পাবেন না। আপনারা সাহায্য নয়, সুবিধাপ্রাপ্তদের আরো সুবিধা দেওয়ার বন্দোবস্ত করেছেন। নিজেদের টাকা খরচ করে এই বোকামী করার কোন মানে নাই। তারপর তারা যে সুপারিশ করলেন, তা হলো, আপনারা ৬০% লাভ ক্রেতাদের সরাসরি না দিয়ে তা সেন্ট্রাল একটা ফান্ডে রাখেন। ওয়েব সাইটে উম্মুক্ত হিসাব রাখেন কত লাভ হলো, যাতে যে কেউ তা পরীক্ষা করতে পারেন। তারপর তা পে ইট ফরোয়ার্ড এর মাধ্যমে অস্বচ্ছল ছাত্র-ছাত্রী বা যাদের দরকার তাদের দেন। ওয়েব সাইটে বলুন, লাভের টাকা কাকে কীভাবে দিলেন? যাতে কোন সন্দেহ না হয়। বছর শেষে নামকরা অডিট ফার্মকে দিয়ে হিসাব নীরিক্ষা করান, এবং তাও ওয়েব সাইটে দিন। তা হলে কেউ সন্দেহ করবেনা। এতে পে ইট ফরোয়ার্ড শক্তিশালী হবে, আপনারা আরো বেশি কাজ করতে পারবেন। আমরা এ রিপোর্ট অন্য বিশেষজ্ঞদের সাথে ক্রস ভেরিফিকেশন করলাম। তাঁরা সবাই এক মত। সবার কথা হচ্ছে, আপনি এক টাকা লাভ তো দুরের কথা, বিনিয়োগই ফেরত নেবেন না, এমন সব ভাল মানুষের টাকা ইনভেস্ট করে যাদের সুবিধা দিতে চাইছেন তাঁরা তা পাবেন না। পাবেন সুবিধাভোগীরা। এতে একসময় বিনিয়োগকারী মহৎ মানুষগুলো আপনার উপর আস্থা হারাবেন। কিন্তু লাভটা যদি পে ইট ফরোয়ার্ডের মাধ্যমে দেন, তবে তা আসল লোকের হাতে যাবে, যার এই সাহায্য খুব দরকার। আমি অনেক ভেবে দেখছি, তাঁদের কথায় যুক্তি আছে। তাই চিন্তা করছি একটা পোস্ট দিয়ে সবার মতামত নিব। যাদের জন্য এত কষ্ট, নিজের টাকা বিনিয়োগ, তারা উপকার না পেলে কী লাভ হলো??? বলে রাখা ভাল, আমাদের বিনিয়োগকারীরা কেউ ধনী নন, মধ্যবিত্ত। তাঁরা মহত্বের কারণে এমন কী এফ ডি আর এর বিপরিতে ঋণ নিয়ে বিনা স্বার্থে এ বিনিয়োগ করছেন। যাতে সুবিধা বঞ্চিতরা উপকার পান । তারা কিন্তু লাভ ত দুরের কথা, বিনিয়োগ ও ফেরত নেবেন না। তাঁদের স্বপ্ন হলো, অন্যের জন্য কিছু করা- আর কিছু নয়। আমরা তো চাই, অনেস্টের টাকায় অসংখ্য মেধাবী ছাত্র-ছাত্রী পড়ুক, কারো পড়ার স্বপ্ন যেন নষ্ট না হয়। আমরা চাই, এ টাকায় একজন বিপন্ন রোগী সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে যান। আমরা চাই, একটি অসহায় পরিবার অনেস্টের টাকায় অবলম্বন খুঁজে পাক। আমাদের একটিই শ্লোগান– ওয়াট ক্যান আই গিভ।” (What can I give philosophy of Mr. A P J Kalam) যদি আমাদের টার্গেট গ্রুপ লাভবান না হয়ে সুযোগ সন্ধানীরা লাভবান হন তা হলে এটা করার কোন মানে হয় না. দয়া করে মতামত দিন। HONEST- আমার আপনার সবার প্রতিষ্ঠান।

 

তবে আম্রা প্রাথমিকভাবে কেন্দ্রিয়ভাবে চ্যারিটিতে ব্যয় করবো। পে ইট ফরোয়ার্ডের মাধ্যমে। তারপর সক্ষমতা অর্জনের পর আমরা আমাদের মূল লক্ষ্য ‘ক্রেতাদের’ কাছে সরাসরি ৬০% লাভ পৌঁছে দেয়ার ধারায় ফিরে আসার চেষ্টা করবো

Posted on

What is Pay it Forward

What is Pay it Forward This is a platform is created by Mr. Syed Mohammad Abu Daud, a Government official of Bangladesh, who is popularly known by his pen name “Badal Syed’.This is a platform to help humanity. You can just join us and start helping others at your own convenience. you may help a student, a patient, an elderly person, a child. a hungry person, whoever you like.You don’t have to help in financial form only, you can do it by mental support, even by attending a patient.Our main theme is we will help others but never ask for return, rather request the recipient to do help others in the same way when time will favor him/her.Thus “Help” will advance forward and many people will be benefited Your small help may change another one’s life and when the recipient will overcome his/her problem, he will repay it by helping another. This will create a chain of help and change our society .This is a RESPONSIBILITY to be the part the best creature of God. Let us perform this responsibility.

Pay It Forward হচ্ছে একটি মানব কল্যাণে নিবেদিত নতুন কর্মসুচী যার মাধ্যমে এর সদস্যরা বিভিন্নজনকে সাহায্য করবেন। মাবাবাদের বিনোদন জগত Parents’ Lounge এর পক্ষ থেকে কর্মসুচী হাতে নেয়া হয়েছে। এর বিস্তারিত নীচে দেয়া হলো

, কর্মসুচীর নাম হবে “Pay It forward”. এর সদস্যরা কোন ফেরত পাওয়ার ইচ্ছে থেকে সাহায্য করবেন না। তারা এক শর্তে সাহায্য করবেন, তা হলো, যিনি সাহায্য নেবেন, তিনি নিজের অবস্থা পরিবর্তনের পর আরেকজন সমস্যা আক্রান্তকে সাহায্য করবেন।এটি করলেই তিনি যে সাহায্য নিয়েছেন সে ঋণ শো্ধ হয়ে যাবে। এভাবে সাহায্যের ধারা সামনের দিকে এগুবে।এজন্যই এর নাম “Pay It forward.” আমরা এধরণের চিন্তা করার পর এক বন্ধু জানালেন, ধরণের একটি কনসেপ্ট অনেক আগে থেকেই পশ্চিমা দেশে প্রচলিত। তার কথার সুত্র ধরে কিছু পড়াশুনা করে দেখলাম, খ্রীস্ট জন্মের ৩১৭ বছর আগে ধারণা গ্রীসে চালু ছিল। কিন্তু এটিকে জনপ্রিয় করে তুলেন, বেঞ্জামিন ফ্রাঙ্কলিন। তিনি ১৭৮৪ সালে ২৫ এপ্রিল তার বব্ধু বেঞ্জামিন ববকে কিছু অর্থ সাহায্য পাঠিয়ে এক পত্রে বলেছিলেন, ঋণ আমাকে নয়, তোমার মত দুর্দশাগ্রস্থ আরেকজনকে সাহায্য করে শোধ করবে এবং তাকে বলবে একইভাবে তোমার ঋণ অন্য কেউকে সাহায্য করে শোধ করতে।আমি অবাক হয়ে ভাবি, কী অদ্ভুত মিলই না আমাদের চিন্তায়, অথচ আমরা যখন বেশ আগে কাজটি ইনফরমালি শুরু করি, তখন ইউরোপে বিদ্যমান ধারণার কথা জানতামই না!

২। আমরা কাজটি করবো এভাবে—–

() ক্লাবের সদস্যরা যার যার মত কাজ করবেন। তিনি তার পছন্দ মতো কেউকে সাহায্য করবেন। ক্লাবে কোন ফান্ড দিতে হবে না। শুধু তিনি ক্লাবের সদস্য হিসেবে কাজটি করবেন এবং ধারণাটিকে এগিয়ে নিয়ে যাবেন। তিনি কি করছেন, ইচ্ছে করলে ক্লাবকে জানাবেন, ইচ্ছে না করলে জানাবেন না। আমরা শুধু জানবোঅমুকমানুষটি আমাদের সাথে আছেন

() শুধু অর্থ সাহায্য করে সামাজিক কাজ করবেন তা না, অন্যভাবে করা যায়

() আবার কেউ যদি মনে করেন, তিনি নিজস্ব ফান্ড দিয়ে ক্লাবের মাধ্যমে কিছু করতে চান, যেমন বৃত্তি প্রদান, তাও করা যাবে

এতগুলো ব্রেইন সফলতাকে নিজের দিকে টানছে সে বিপরীত দিকে কিভাবে যাবে??????