Posted on

What is Pay it Forward

What is Pay it Forward This is a platform is created by Mr. Syed Mohammad Abu Daud, a Government official of Bangladesh, who is popularly known by his pen name “Badal Syed’.This is a platform to help humanity. You can just join us and start helping others at your own convenience. you may help a student, a patient, an elderly person, a child. a hungry person, whoever you like.You don’t have to help in financial form only, you can do it by mental support, even by attending a patient.Our main theme is we will help others but never ask for return, rather request the recipient to do help others in the same way when time will favor him/her.Thus “Help” will advance forward and many people will be benefited Your small help may change another one’s life and when the recipient will overcome his/her problem, he will repay it by helping another. This will create a chain of help and change our society .This is a RESPONSIBILITY to be the part the best creature of God. Let us perform this responsibility.

Pay It Forward হচ্ছে একটি মানব কল্যাণে নিবেদিত নতুন কর্মসুচী যার মাধ্যমে এর সদস্যরা বিভিন্নজনকে সাহায্য করবেন। মাবাবাদের বিনোদন জগত Parents’ Lounge এর পক্ষ থেকে কর্মসুচী হাতে নেয়া হয়েছে। এর বিস্তারিত নীচে দেয়া হলো

, কর্মসুচীর নাম হবে “Pay It forward”. এর সদস্যরা কোন ফেরত পাওয়ার ইচ্ছে থেকে সাহায্য করবেন না। তারা এক শর্তে সাহায্য করবেন, তা হলো, যিনি সাহায্য নেবেন, তিনি নিজের অবস্থা পরিবর্তনের পর আরেকজন সমস্যা আক্রান্তকে সাহায্য করবেন।এটি করলেই তিনি যে সাহায্য নিয়েছেন সে ঋণ শো্ধ হয়ে যাবে। এভাবে সাহায্যের ধারা সামনের দিকে এগুবে।এজন্যই এর নাম “Pay It forward.” আমরা এধরণের চিন্তা করার পর এক বন্ধু জানালেন, ধরণের একটি কনসেপ্ট অনেক আগে থেকেই পশ্চিমা দেশে প্রচলিত। তার কথার সুত্র ধরে কিছু পড়াশুনা করে দেখলাম, খ্রীস্ট জন্মের ৩১৭ বছর আগে ধারণা গ্রীসে চালু ছিল। কিন্তু এটিকে জনপ্রিয় করে তুলেন, বেঞ্জামিন ফ্রাঙ্কলিন। তিনি ১৭৮৪ সালে ২৫ এপ্রিল তার বব্ধু বেঞ্জামিন ববকে কিছু অর্থ সাহায্য পাঠিয়ে এক পত্রে বলেছিলেন, ঋণ আমাকে নয়, তোমার মত দুর্দশাগ্রস্থ আরেকজনকে সাহায্য করে শোধ করবে এবং তাকে বলবে একইভাবে তোমার ঋণ অন্য কেউকে সাহায্য করে শোধ করতে।আমি অবাক হয়ে ভাবি, কী অদ্ভুত মিলই না আমাদের চিন্তায়, অথচ আমরা যখন বেশ আগে কাজটি ইনফরমালি শুরু করি, তখন ইউরোপে বিদ্যমান ধারণার কথা জানতামই না!

২। আমরা কাজটি করবো এভাবে—–

() ক্লাবের সদস্যরা যার যার মত কাজ করবেন। তিনি তার পছন্দ মতো কেউকে সাহায্য করবেন। ক্লাবে কোন ফান্ড দিতে হবে না। শুধু তিনি ক্লাবের সদস্য হিসেবে কাজটি করবেন এবং ধারণাটিকে এগিয়ে নিয়ে যাবেন। তিনি কি করছেন, ইচ্ছে করলে ক্লাবকে জানাবেন, ইচ্ছে না করলে জানাবেন না। আমরা শুধু জানবোঅমুকমানুষটি আমাদের সাথে আছেন

() শুধু অর্থ সাহায্য করে সামাজিক কাজ করবেন তা না, অন্যভাবে করা যায়

() আবার কেউ যদি মনে করেন, তিনি নিজস্ব ফান্ড দিয়ে ক্লাবের মাধ্যমে কিছু করতে চান, যেমন বৃত্তি প্রদান, তাও করা যাবে

এতগুলো ব্রেইন সফলতাকে নিজের দিকে টানছে সে বিপরীত দিকে কিভাবে যাবে??????

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *